হলুদ-মুখো সামুদ্রিক কেউটে
সকল সাপ
বিষধরনিউরোটক্সিক (স্নায়ু বিষ)IUCN: Least Concern

হলুদ-মুখো সামুদ্রিক কেউটে

Yellow-lipped Sea Krait

Laticauda colubrina

হলুদমুখো সামুদ্রিক কেউটে (বৈজ্ঞানিক নাম:Laticauda colubrina, উচ্চারণ: ল্যাটিকাউডা কলুব্রিনা) (বলয়ী সামুদ্রিক কেউটে ও 'কলুব্রাইন' সামুদ্রিক কেউটে নামেও পরিচিত) ভৌগোলিকভাবে ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে বিস্তৃত একটি বিষধর সামুদ্রিক সাপের প্রজাতি। এটি এলাপিডি পরিবারের অন্তর্ভূক্ত।হলুদমুখো সামুদ্রিক কেউটে'র মাথা কৃষ্ণ বর্ণের। মাথার পাশাপাশি প্বার্শীয় নাসারন্ধ্র ও শীরতালুতে অবিভক্ত আশযুক্ত। উপরের ঠোঁট ও প্রলম্বিত নাসা বৈশিষ্ট্যগতভাবে হলুদ রঙের। হলুদ রঙ দুই চোখের পেছনে, মাথা টেম্পোরাল আশ পর্যন্ত বর্ধিত। সাপটির দেহ উপ-নলাকার আকৃতির, এবং প্রস্থের চেয়ে লম্বায় দীর্ঘায়িত। উপরের অংশ সাধারণত নীলাভ ধূসর রঙের হয়, আর পেটের অংশ হলুদাভ, যেখানে প্রশস্ত উদরীয় আঁশ থাকে যা দেহের প্রস্থের এক-তৃতীয়াংশ থেকে শুরু করে অর্ধেকেরও বেশি পর্যন্ত বিস্তৃত। সাপের পুরো দৈর্ঘ্য জুড়ে প্রায় সমান প্রস্থের কালো বলয় থাকে, তবে পেটের বলয় গুলি প্রস্থে ছোট, সরু ও ক্ষেত্রবিশেষে ছেদপরা অনিয়মিত আকারের হয়ে থাকে। দেহের মধ্যাংশ অনুদৈর্ঘ্য সারিতে একটির উপর আরেকটি ২১ থেকে ২৫টি পৃষ্ঠীয় আঁশ আবৃত থাকে।পৃষ্ঠীয় ও পার্শ্বীয় আঁশের অনন্য বিন্যাসের কারণে এই প্রজাতিকে অনুরূপ হলুদ ঠোঁটবিশিষ্ট নতুন ক্যালিডোনিয় সামুদ্রিক কেউটে থেকে পৃথক করা যায়, যার আঁশের সারি তুলনামূলকভাবে কম এবং আঁশগুলো সরু বা একত্রিত হয় না, (যেখানে হলুদমুখো কেউটের কালো বলয়গুলো নিচে একত্রিত হয়) সাপটির লেজ চ্যাপ্টা আকৃতির এবং সাঁতার কাটার উপযোগীভাবে গঠিত। তথ্যসূত্রঃউইকিপিডিয়া

পাওয়া যায়:

বাংলাদেশ

বিষের তীব্রতা

খুব উচ্চ - দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন

আকার

একটি পুরুষ সাপের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৮৭৫ মিমি (৩৪.৪ ইঞ্চি),। স্ত্রী সাপ তুলনামূলকভাবে অনেক বড়, এদের গড় মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ১,৪২০ মিমি (৫৬ ইঞ্চি)।

রঙ ও চিহ্ন

মূল রঙ: উজ্জ্বল নীলচে-ধূসর বা ইস্পাত-নীল।সারা শরীরে ২০-৪০ টা চওড়া কালো ব্যান্ড থাকে। ব্যান্ডগুলো পিঠ থেকে পেট পর্যন্ত পুরো গোল করে ঘুরে যায় পেটঃদুধ-সাদা বা ক্রিম রঙ মাথা কালো সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো নাক ও ঠোঁটের দুই পাশে উজ্জ্বল হলুদ দাগ থাকে। এজন্যই নাম "হলুদ মুখো"। কালো-সাদা ডোরা থাকে। বাচ্চা অবস্থায় কালো ব্যান্ডগুলো বেশি স্পষ্ট ও চওড়া থাকে। বড় হওয়ার সাথে নীল রঙটা বেশি গাঢ় হয়।

বাসস্থান

হলুদমুখো সামুদ্রিক কেউটে পূর্ব ভারত মহাসাগর এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে ব্যাপকভাবে বিস্তৃত। ভারতের পূর্ব উপকূল থেকে শুরু করে বাংলাদেশ, মিয়ানমার এবং দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য অংশে বঙ্গোপসাগরের তীর বরাবর, মালয় দ্বীপপুঞ্জ এবং চীনের দক্ষিণতটের কিছু অংশ, তাইওয়ান এবং জাপানের রিউকিউ দ্বীপপুঞ্জে এদের বাসস্থান ও বিচরণ দেখা গেছে

খাদ্য

ছোট সামুদ্রিক মাছ ও ইল

আচরণ

আচরণগতভাবে নিরীহ এবং কেবল হুমকি বোধ করলেই আক্রমণাত্মক হয়।