ডাউডিন সামুদ্রিক সাপ
সকল সাপ
বিষধরনিউরোটক্সিক (স্নায়ু বিষ)IUCN: Least Concern

ডাউডিন সামুদ্রিক সাপ

Daudin’s Sea Snake

Hydrophis nigrocinctus

ডডিনের সামুদ্রিক সাপ (Hydrophis nigrocinctus) একটি বিরল ও অত্যন্ত বিষধর সামুদ্রিক সাপ, যা প্রধানত ভারত মহাসাগরে পাওয়া যায়। সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগরের আশেপাশে এদের বিশেষভাবে দেখা যায়। এদের দেহ জলপাই থেকে বাদামী রঙের হয় এবং তাতে গাঢ়, সরু ডোরা থাকে। সাম্প্রতিককালে পুনরায় আবিষ্কৃত হওয়ার আগ পর্যন্ত এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে এটিকে ঐতিহাসিকভাবে বিলুপ্ত বলে মনে করা হতো। Elapidae পরিবারের একটি সামুদ্রিক বিষধর সাপের প্রজাতি এ পর্যন্ত মাত্র ৩টি পাওয়া গেছে। 1. প্রথমটি:১৮০৩ সালে ধরা পরে। কলকাতার কাছে সুন্দরবনে 2. দ্বিতীয়টি:১৮৯৬ সালে মালয় দ্বীপুঞ্জে ধরা পড়ে। 3. তৃতীয়টি:এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর, ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুনরায় আবিষ্কৃত হয় এবং ২০২৪ সালে বর্ণনা করা হয়। তৃতীয়বার বাংলাদেশের সুন্দরবনে, Dublar Char দ্বীপে পাওয়া গিয়েছিল। এই সাপটা খুবই দুর্লভ। ২০০ বছরে মাত্র ৩ বার দেখা গেছে, তার মধ্যে ২ বারই সুন্দরবন এলাকায়। এজন্যই একে "বিশ্বের অন্যতম বিরল সামুদ্রিক সাপ" বলা হয়। এদের শরীর: মোটা, লম্বা। লেজ চ্যাপ্টা বৈঠার মত সারা গায়ে চওড়া কালো/নীলচে কালো আংটির মতো ডোরা। পিঠে ডোরাগুলো সবচেয়ে চওড়া - পেটের দিকে ডোরাগুলো কখনো জোড়া লেগে কালো ব্যান্ড তৈরি করে আঁশ:-পিঠের আঁশ কিলযুক্ত বা ২-৩টি গুটি আছে। শরীরের মাঝখানে ৩৯-৪৫ সারি আঁশ - পেটের আঁশ২৮১-৩৮৫টি, মসৃণ বা গুটিযুক্ত মাথা:মাঝারি। চোখ ছোট। নাকের ফুটো উপরের দিকে বিশেষ বৈশিষ্ট্যঃ -MCVN সিস্টেম:মাথায় বিশেষ রক্তনালীর জাল আছে। এটা দিয়ে এরা পানি থেকেই অক্সিজেন নিয়ে অনেকক্ষণ ডুবে থাকতে পারে - ৩০-৪০ মিনিট - প্রজনন: ডিম পাড়ে না, সরাসরি ২-৬টি বাচ্চা দেয় তথ্যসূত্রঃInaturalist.org ও উইকিপিডিয়া

পাওয়া যায়:

বাংলাদেশ

বিষের তীব্রতা

খুব উচ্চ - দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন

আকার

বেশ বড়। মাথা + শরীর ১.৩-১.৫ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। লেজ ১৪ সেমি

রঙ ও চিহ্ন

উপরের দিক জলপাই থেকে বাদামী রঙের, যাতে ৪০ থেকে ৬০টি গাঢ়, সরু আড়াআড়ি দাগ থাকে এবং নিচের দিকটি হলদেটে।

বাসস্থান

সাপটি মূলত বঙ্গোপসাগর এবং ভারত মহাসাগরের উপকূলীয় দেশগুলোতেই দেখা যায়। আর প্রথমবার এটা আবিষ্কৃত হয়েছিল বাংলাদেশ-ভারতের সুন্দরবন এলাকায়।

খাদ্য

সমুদ্রের তলদেশের মাছ, গোবি,ইল ও চিংড়ি

আচরণ

শান্ত স্বভাবের

চিকিৎসা গুরুত্ব

নিউরোটক্সিন