কালোবলয়ী সামুদ্রিক কেউটে
সকল সাপ
বিষধরনিউরোটক্সিক (স্নায়ু বিষ)IUCN: Least Concern

কালোবলয়ী সামুদ্রিক কেউটে

Black-banded Sea Krait

Laticauda semifasciata

কালোবলয়ী সামুদ্রিক কেউটে (Laticauda semifasciata) যা চাইনিজ সামুদ্রিক সাপ বা এরাবু নামেও পরিচিত, এটি মূলত উভচর স্বভাবের একটি অত্যন্ত **বিষধর সামুদ্রিক সরীসৃপ**। এটি **Laticaudinae** উপ-পরিবারের এবং **Elapidae** পরিবারের অন্তর্ভুক্ত - এই পরিবারে কেউটে, মাম্বা, কোরাল স্নেক এবং তাদের আত্মীয়রা আছে। একে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের বেশিরভাগ এলাকায় এবং জাপান সাগরের কিছু অংশে দেখা যায়। জাপানে একে erabu umi hebi エラブウミヘビ, অর্থাৎ 'এরাবু সামুদ্রিক সাপ' বলা হয়। আর ওকিনাওয়াতে একে শুধু irabu নামে ডাকা হয়। এটি অত্যন্ত বিষধর উভচর সামুদ্রিক সাপ, যা দেখতে চমৎকার কালো ও সাদা (বা হালকা নীল) বলয় বা ডোরাকাটা দাগের হয় এদের বিষে শক্তিশালী নিউরোটক্সিন থাকে যা স্নায়ুতন্ত্রকে আক্রমণ করে। তবে এরা স্বভাবগতভাবে অত্যন্ত শান্ত প্রকৃতির এবং প্ররোচিত না হলে মানুষকে আক্রমণ করে না।শারীরিক গঠন: সাঁতার কাটার সুবিধার্থে এদের লেজ চ্যাপ্টা বা বৈঠার মতো হয়। তথ্যসূত্রঃউইকিপিডিয়া

পাওয়া যায়:

বাংলাদেশ

বিষের তীব্রতা

খুব উচ্চ - দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন

আকার

এরা সাধারণত ১.০ থেকে ১.৫ মিটার (৩.৩ থেকে ৫ ফুট) পর্যন্ত হয়, তবে কিছু কিছু ক্রেইট সর্বোচ্চ ১.৭ মিটার (৫.৫ ফুট) পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। স্ত্রী ক্রেইট সাধারণত পুরুষ ক্রেইটের চেয়ে বড় হয়।

রঙ ও চিহ্ন

কালো বলয়ী সাপের পুরো শরীরে কালো বলয় থাকে এবং এদের মুখের অংশ কালচে। নীলমুখো সাপের শরীরে কালোর পাশাপাশি

বাসস্থান

এদের প্রধান আবাসস্থল প্রবাল প্রাচীর ও উপকূলীয় অঞ্চল। কালোবলয়ী সামুদ্রিক কেউটেকে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের উষ্ণ পানিতে পাওয়া যায়

খাদ্য

মাছ ও ছোট ইল

আচরণ

কোবরার চেয়ে ১০ গুন বিষাক্ত হলেও শান্ত স্বভাবের এবং আধা-জলচর হওয়ার ডাঙ্গায় আসে