
আরব উপসাগরীয় সামুদ্রিক সাপ
Arabian Gulf Sea snake
Hydrophis lapemoides
Arabian gulf sea snake একটি সাপের প্রজাতি যা Elapidae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত এবং সাধারণভাবে Persian Gulf sea snake বা পারস্য উপসাগরীয় সামুদ্রিক সাপ নামে পরিচিত। এই সামুদ্রিক সাপটি ভারত মহাসাগরের পারস্য উপসাগর থেকে থাইল্যান্ডের উপকূল পর্যন্ত বিস্তৃত। সংরক্ষণ অবস্থা:Least Concern - IUCN 3.1 মানে: "ন্যূনতম ঝুঁকিপূর্ণ"[1] বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস: রাজ্য: Animalia - প্রাণী পর্বঃ Chordata - মেরুদণ্ডী শ্রেণী:Reptilia - সরীসৃপ বর্গ:** Squamata - আঁশযুক্ত সরীসৃপ উপ-বর্গ:Serpentes - সাপ পরিবার: Elapidae - বিষধর সাপের পরিবার Arabian Gulf Sea Snake বাংলা নাম:আরব উপসাগরীয় সামুদ্রিক সাপ বৈজ্ঞানিক নাম:Hydrophis lapemoides অন্য নাম: Persian Gulf Sea Snake, Grey sanke এরা অগভীর উপকূলীয় পানি, মোহনা, প্রবাল প্রাচীর এবং বালি-কাদার সমুদ্রতল পছন্দ করে। সাধারণত 5-25 মিটার গভীরতায় থাকে। শরীর:মাঝারি মোটা, লেজ চ্যাপ্টা - সাঁতারের বৈঠার মতো।মাথা:ছোট এবং শরীরের তুলনায় সরু,আঁশ:মসৃণ ও চকচকে,পিঠ: ধূসর-বাদামী, জলপাই-ধূসর,পেট: হালকা ক্রিম বা সাদা ব্যান্ড:সারা শরীরে ৩৫-৫০ টা গাঢ় বাদামী/কালো ব্যান্ড থাকে। পেটের কাছে ব্যান্ডগুলো ভেঙে যায়।মাথা:শরীরের চেয়ে একটু গাঢ় রঙের এই ক্যামোফ্লাজ রঙের কারণে কাদা-বালির মধ্যে সহজে মিশে যেতে পারে। .সরু মাথা দিয়ে গর্তের ভেতর থেকে শিকার বের করে।শিকারকে বিষ দিয়ে অবশ করে এরপর গিলে খায়। শ্বাস:একবারে ১ ঘণ্টার বেশি পানির নিচে থাকতে পারে . প্রজনন:ডিম পাড়ে না। সরাসরি ২-৪ টা বাচ্চা দেয় বিষঃএরা Elapidae পরিবারের বিষধর সাপ। বিষ নিউরোটক্সিন। সংরক্ষণ অবস্থাঃ সংখ্যা স্থিতিশীল। তবে তেল দূষণ ও উপকূলীয় দূষণ এদের জন্য হুমকি। তথ্যসূত্রঃউইকিপিডিয়া
পাওয়া যায়:
বাংলাদেশ
বিষের তীব্রতা
খুব উচ্চ - দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন
আকার
৮০-১২০ সেমি,প্রায় ২.৫ থেকে ৪ ফুট, স্ত্রী সাপ পুরুষের তুলনায় লম্বা হয়
রঙ ও চিহ্ন
পিঠ জলপাই ধূসর বা ধুসর বাদামি,শরীরে কালো বাদামি বা বাদামি ব্যান্ড
বাসস্থান
এই প্রজাতিটি বাহরাইন, বাংলাদেশ, ভারত, ইরান, ইরাক, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, কাতার, সৌদি আরব, সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপকূল বরাবর দেখা যায়।
খাদ্য
সামুদ্রিক ছোট মাছ,ইল
আচরণ
শান্ত ও লাজুক,মানুষকে এড়িয়ে চলে